মরিচিকার মিথেনে পুড়েছে
রৌরব নরকের নগর,
অন্ধকারে শরীর খোঁজে
স্মৃতি বিষের কোনো ঘর।
পাথর চাপা দীর্ঘশ্বাসে
হারিয়ে গেছে চেনা পথ,
মিথ্যে মায়ার চোরাবালিতে
আটকে গেছে জীবনের রথ।
আকাশ চিরে নামছে কেবল
ছাইভস্মের ধূসর ধারা,
নিজেকেই আজ পুড়িয়ে মারছে
আত্মপরিচয়হীন সব সর্বহারা।
শূন্যতার এই শবাচ্ছাদনে
থমকে আছে মহাকাল,
লোনা জলে ধোয় না তো চোখ
পুরানো স্মৃতির আকাল।
হৃদয় খুঁড়লে রক্ত নয়—
বেরিয়ে আসে তপ্ত তামা,
আস্তিনের তলে লুকিয়ে রাখা
সেই আদিম এক নগ্নামা।
তবুও মানুষ পোড়ে নির্জনে
মিথ্যে আশার নীল দহনে,
ছাই হয়ে মেশে অজানার পথে
এক বিষাক্ত আত্ম-হননে।


